নামলই পথে এতদিন পরে সে
পিছনে ফিরে তাকায়নি একবারও
সাফল্য(?) তার হাতে বাঁধা ছিল সত্যিই
কিন্তু পথের টান, তার চেয়ে ছিল অনেকখানি বড়।
শান্তির খোঁজে তৃষ্ণা মেটাতে পথে নামা অবশেষে
হয়ত পাবে, কিংবা পাবে না কিছুই তবু
এসব চিন্তা ভাবেনি কখনও সে।
ঠিক করে দেওয়া বেঁধে দেওয়া শান্তিতে,
অন্যের মত তৃষ্ণা মেটেনি তার।
চোখ কান বুজে ছুটতে ছুটতে হঠাৎ মনে এল
কোথায় শান্তি? কেমন তার আকার?
মিছে হয়ে গেল সব ছোটাছুটি, তুচ্ছ করে ছক
নির্ভার হয়ে সময়ের হাতে তুলে দিল সবকিছু।
বেরিয়ে পড়েই হয়ে গেল দিশেহারা
অগণিত পথ শত শত পথে গিয়ে,
পৌছেছে সব কোথায়, কে তা জানে!
চিন্তার জালে মাথা হয়ে আসে ভার।
সদা ব্যাস্ত যান্ত্রিক এ নগরে
পথ দেখানোর কেউ নেই কোনখানে,
পা বাড়াতেই দ্বিধা ঘিরে আসে তার।
সরল জীবন জটিল হয়ে আসে।
মাথা তুলে শূণ্য আকাশ মাঝে
খোঁজে সে হয়ত দৈব অভয়বাণী
বিষে বিষময় কালোধোঁয়া ভেদ করে
দেখা যায় শুধু ঘন কালো মেঘ, আর-
তারে দোল খাওয়া অজস্র কালো কাক
বুঝতে পারে সে উপরে কিংবা নীচে
ওরাই শুধু তাকিয়ে তার দিকে।
আতঙ্কে সাদা হয়ে যায় মুখখানি
ওর পাশ দিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে
হেঁটে যায় এক রুগ্ন কুকুর,
ভয়ার্ত চোখে তাকায় ওর দিকে।
নিজের মাঝে হঠাৎ তাকিয়ে বিহ্বল হয়ে সে,
চমকে দেখে ভয়ে কুকড়ানো মন-
একটু আশা আর অসীম ভয় নিয়ে,
কুকুরের মত তাকিয়ে একভাবে।
দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জড় হয়ে,
ঝড় বুঝি ওই উঠল সত্ত্বা জুড়ে
বাইরেও যেন অশান্ত চারপাশে
ছুটছে মানুষ কোন সহজাত ভয়ে।
ঝড়ের দাপটে মেঘগুলো সরে গিয়ে,
প্রখর সূর্য মধ্য আকাশে বসে,
পুড়িয়ে দেয়ার নব অভিযানে নামে।
মাথার উপর জ্বলন্ত কড়া রোদে
মরিচীকা যেন জলে ঝিলমিল করে-
পিপাসার্ত ক্লান্ত তাকে প্রলোভন দিয়ে ডাকে
ঝাঁঝালো রোদের গুমোট গরমে ঘোর লাগা ওই মনে,
এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আবার জাগে।
পিপাসার জল যে করেই হোক পেতেই হবে তাকে
চলতে রাজি সে, যতদিন তাতে লাগে।
পিছনে ফিরে তাকায়নি একবারও
সাফল্য(?) তার হাতে বাঁধা ছিল সত্যিই
কিন্তু পথের টান, তার চেয়ে ছিল অনেকখানি বড়।
শান্তির খোঁজে তৃষ্ণা মেটাতে পথে নামা অবশেষে
হয়ত পাবে, কিংবা পাবে না কিছুই তবু
এসব চিন্তা ভাবেনি কখনও সে।
ঠিক করে দেওয়া বেঁধে দেওয়া শান্তিতে,
অন্যের মত তৃষ্ণা মেটেনি তার।
চোখ কান বুজে ছুটতে ছুটতে হঠাৎ মনে এল
কোথায় শান্তি? কেমন তার আকার?
মিছে হয়ে গেল সব ছোটাছুটি, তুচ্ছ করে ছক
নির্ভার হয়ে সময়ের হাতে তুলে দিল সবকিছু।
বেরিয়ে পড়েই হয়ে গেল দিশেহারা
অগণিত পথ শত শত পথে গিয়ে,
পৌছেছে সব কোথায়, কে তা জানে!
চিন্তার জালে মাথা হয়ে আসে ভার।
সদা ব্যাস্ত যান্ত্রিক এ নগরে
পথ দেখানোর কেউ নেই কোনখানে,
পা বাড়াতেই দ্বিধা ঘিরে আসে তার।
সরল জীবন জটিল হয়ে আসে।
মাথা তুলে শূণ্য আকাশ মাঝে
খোঁজে সে হয়ত দৈব অভয়বাণী
বিষে বিষময় কালোধোঁয়া ভেদ করে
দেখা যায় শুধু ঘন কালো মেঘ, আর-
তারে দোল খাওয়া অজস্র কালো কাক
বুঝতে পারে সে উপরে কিংবা নীচে
ওরাই শুধু তাকিয়ে তার দিকে।
আতঙ্কে সাদা হয়ে যায় মুখখানি
ওর পাশ দিয়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে
হেঁটে যায় এক রুগ্ন কুকুর,
ভয়ার্ত চোখে তাকায় ওর দিকে।
নিজের মাঝে হঠাৎ তাকিয়ে বিহ্বল হয়ে সে,
চমকে দেখে ভয়ে কুকড়ানো মন-
একটু আশা আর অসীম ভয় নিয়ে,
কুকুরের মত তাকিয়ে একভাবে।
দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জড় হয়ে,
ঝড় বুঝি ওই উঠল সত্ত্বা জুড়ে
বাইরেও যেন অশান্ত চারপাশে
ছুটছে মানুষ কোন সহজাত ভয়ে।
ঝড়ের দাপটে মেঘগুলো সরে গিয়ে,
প্রখর সূর্য মধ্য আকাশে বসে,
পুড়িয়ে দেয়ার নব অভিযানে নামে।
মাথার উপর জ্বলন্ত কড়া রোদে
মরিচীকা যেন জলে ঝিলমিল করে-
পিপাসার্ত ক্লান্ত তাকে প্রলোভন দিয়ে ডাকে
ঝাঁঝালো রোদের গুমোট গরমে ঘোর লাগা ওই মনে,
এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা আবার জাগে।
পিপাসার জল যে করেই হোক পেতেই হবে তাকে
চলতে রাজি সে, যতদিন তাতে লাগে।
No comments:
Post a Comment